আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজ মঙ্গলবার গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় আট জন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন। এই রায় ঘোষণার আগে ট্রাইবিউনিলের প্রথম রায় ঘোষণা ছিল গত বছরের ১৭ নভেম্বর, যেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
ওবায়দুল কাদের ছাড়া এ মামলার অপর আসামি হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। তাঁরা সবাই পলাতক।
অভিযোগের বিবরণী
এ মামলায় ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তিনটি কাউন্ট রয়েছে। প্রথম কাউন্টে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে কাদেরের সঙ্গে সাদ্দাম হোসেনের মুঠোফোনে কথোপকথন হয়েছে, যেখানে আন্দোলন দমনের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এছাড়া ১৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের অংশগ্রহণ করেন এবং ১৫ জুলাই ধানমন্ডিতে তিনি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে রাজাকারদের জবাব দেবে বলে বক্তব্য দেন।
এই রায় ঘোষণা পর্যাপ্তিক্ষেত্রক গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি মামলার মধ্যে একটি। ইতিমধ্যে পাঁচটি মামলায় রায় ঘোষণা হয়েছে, যেখানে ৬১ জন আসামির বিরুদ্ধে সাজা দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫ জনের মধ্যে ১১ জন পলাতক এবং ৪ জন কারাগারে বন্দী।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইবিউনিলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।






