কেরানীগঞ্জের কেরানীগঞ্জ মডেল থানার আরশিনগর এলাকার রাজ সেলুনে গ্রামে ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে ৩টা ৭ মিনিট প্রায়ই তিনজন মুখোষ গুলি ছুড়ে আতঙ্ক জয়োস্বলি করে আরশিনগরের বেলা তিনটার দিকে থাকা ৩০ বছর বয়সী যুবক ফরহাদ হোসেনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা করেছে।
রাজ সেলুনেতে ফরহাদ হোসেন তার মেম্বার গলিতে পরিবার নিয়ে থাকতেন এবং তার গ্রামের বাড়ি ভোলার দৌলতখান উপজেলার নুরাবাদ গ্রামে অবস্থান করেছিলেন। হঠাৎ সেখানে তিনি চুল কাটাচ্ছিলেন, সেই সময়ে তার পাশে ঢুকে তিনটা মুখোষ গুলি ছুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেন এবং চাপাতি ব্যবহার করে তাকে গুরুতর আহত করে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকের জানা যায় যে ফরহাদ হাসপাতালে পাঠানো পরবর্তীতে তিনি মৃত ঘোষণা করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান এই ঘটনায় জয়ক্ষণীয় বিশ্লেষণ করছেন এবং লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় যে গত ৩টা ৭ মিনিটের মধ্যে তিনজন গুলি ছুড়ে আতঙ্ক জয়োস্বলি করে রাজ সেলুনে ঢুকেছেন। তাদের মধ্যে দুজনের মাথায় ক্যাপ ছিল এবং একটি ব্যক্তি পিস্তল ছোঁয়ায় সেলুনের ভেতরে ঢুকে গুলি চালাতে শুরু করেছেন। অতিরিক্ত আতঙ্কজনক হোয়সায় অন্য ব্যক্তিরা দৌড়ে বাইরে বের হয়ে আসেন এবং আলাদা তিন ব্যক্তি কোমর থেকে চাপাতি ব্যবহার করে ফরহাদকে আহত করে।
তার পাশাপাশি, ফরহাদ হোসেন মোহাম্মদপুরের মহিরগোলা এলাকায় চাঁদাবাজির ব্যবসা করতেন এবং তার কিশোর গ্যাং «পাটালি গ্রুপ»য় সদস্য ছিলেন। গ্রামের বাড়ি ভোলার দৌলতখান উপজেলার নুরাবাদ গ্রামে বাস করা তিনি কিশোর গ্যাংের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রময় জড়িত ছিলেন এবং চাঁদাবাজি ও মামলার অভিযোগও রেখে গেছেন।
কিন্তু এই ঘটনায় শনাক্ত করা হচ্ছে যে দুই গ্রুপই মোহাম্মদপুরের রাষ্ট্র কেন্দ্রীয় বাজার এলাকার নেতৃত্বের প্রভাসের কারণে জড়িত ছিলেন। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস অনুসন্ধান করছেন যে পূর্ববিরোধের জেরে তারা প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় জয়ক্ষণীয় বিশ্লেষণ করেছেন।






