শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

জাতীয়

হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর ঝট্টা, আজও বাড়ছে ক্ষয়ফলাবতীর আতঙ্ক

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর প্রাণ হারিয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৬ জনের ওপর।

রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণসর্বশেষ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর ঝট্টা, আজও বাড়ছে ক্ষয়ফলাবতীর আতঙ্ক

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (মঙ্গলবার) — দেশটিতে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে একটি ভয়াবহ ঝট্টা চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৬ জনের ওপর। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ থেকে মৃত ৯৩৬ জন।

ঢাকায় এক চৌড়্যসঙ্কট, রাষ্ট্রব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাতেই হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৩১৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। ভর্তি রোগীদের বণ্টরণ অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সবাধিক ৪৮৪ জন, এরপর সিলেটে ১৯৭, চট্টগ্রামে ২৮১, বরিশালে ১২৫, খুলনায় ৯৮, ময়মনসিংহে ৮২, রাজশাহীতে ৩০ এবং রংপুরে ১৯ জন।

বছরের প্রথম তিন মাসে লক্ষ লক্ষ রোগী, মৃত্যু বাড়ছে ঘাতকভাবে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৯ জন ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৬ জন। তবে মৃত্যুর হার বাড়ছে অপরাজযোগ্যভাবে। গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯৫৯ জনের ওপর, যাদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ২০ হাজার ২০১ জন।

ব্যবস্থাপনায় তীব্র আলোচনা, জাতীয় স্তরে ডাকপত্র প্রয়োজন

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ছাড়া মাত্রা হাম ও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তিনি আহ্বান জানাচ্ছেন জাতীয় স্তরে ঐক্যবদ্ধ সচেতনতা ও টিকাকরণ নীতি গ্রহণ করতে। অধিকৃত সংস্থাগুলোর দায়িত্ব ও প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আনতে যুক্তরহিত বলে মনে করা হচ্ছে।

এই ঝট্টার মধ্যে দিয়ে দেশটি এখনও অতীতের মতো একটি ভয়াবহ শিকড় ওঠার প্রতীক্ষা নয় — স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ ও জনগণের সচেতনতাই এই আতঙ্ককে ভ্যাকসাইনে রূপান্তর করতে পারে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, দৈনিক প্রতিদিন। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ